Cricket
টেস্ট ক্রিকেটের নিয়ম সহজ বাংলায়: দিনে ৯০ ওভার থেকে ফলো অন, ড্র ও জয়ের হিসাব

টেস্ট ক্রিকেট খেলার নিয়ম এক কথায় বললে: দুই দল সর্বোচ্চ পাঁচ দিনে দুটি করে ইনিংস খেলে, আর যে দল বেশি রান করে প্রতিপক্ষের সব উইকেট দুবার তুলে নিতে পারে, সে জেতে। সময় ফুরিয়ে গেলে ম্যাচ ড্র হয়। শুনতে সহজ, কিন্তু দিনে কত ওভার, নতুন বল কখন, ফলো অন কী বা ডিক্লেয়ার কেন করা হয়, এসব না জানলে টেস্ট দেখা অনেক সময় ধাঁধার মতো লাগে। এই লেখায় test cricket rules in bangla সহজ ভাষায়, ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দেওয়া হলো, যাতে বাংলাদেশের পরের হোম টেস্ট সিরিজ দেখার সময় প্রতিটি সিদ্ধান্ত আপনি নিজেই বুঝতে পারেন।
টেস্ট ক্রিকেট কী এবং কেন একে আসল ক্রিকেট বলা হয়
টেস্ট ক্রিকেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে পুরোনো ও দীর্ঘ ফরম্যাট। এখানে ওভারের কোনো সীমা নেই, সীমা শুধু সময়ের। তাই একজন ব্যাটার সারা দিন ক্রিজে থাকতে পারেন, আবার একজন বোলার একই পরিকল্পনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বল করতে পারেন। ধৈর্য, কৌশল আর ফিটনেস, তিনটিরই সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হয় এখানে।
শুধু আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলো টেস্ট খেলে। বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পায় ২০০০ সালে, প্রথম টেস্ট খেলে ঢাকায় ভারতের বিপক্ষে। ক্রিকেটের মূল আইন লেখে ও হালনাগাদ করে এমসিসি, আর আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য আইসিসি আলাদা প্লেয়িং কন্ডিশন যোগ করে। মূল আইনগুলো একসাথে দেখতে চাইলে এমসিসির লজ অব ক্রিকেট পাতাটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস। ক্রিকেটের সাধারণ শব্দ ও নিয়ম আগে ঝালিয়ে নিতে পড়তে পারেন আমাদের ক্রিকেটের মৌলিক নিয়ম ও বিখ্যাত উদাহরণ।
টেস্ট ম্যাচের সময়সূচি: ৫ দিন, ৩ সেশন, দিনে ৯০ ওভার
একটি টেস্ট ম্যাচ সর্বোচ্চ পাঁচ দিনের হয়। প্রতিদিন খেলা হয় তিনটি সেশনে, প্রতিটি মোটামুটি দুই ঘণ্টার। প্রথম সেশনের পর মধ্যাহ্নভোজের বিরতি (সাধারণত ৪০ মিনিট), দ্বিতীয় সেশনের পর চা-বিরতি (সাধারণত ২০ মিনিট)। আইসিসির টেস্ট প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী দিনে অন্তত ৯০ ওভার বল করার লক্ষ্য থাকে। বৃষ্টি বা আলোর কারণে সময় নষ্ট হলে পরের দিনগুলোতে আগে শুরু করে বা বাড়তি সময় খেলে সেটা কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া হয়।
| বিষয় | টেস্ট ক্রিকেটের নিয়ম |
|---|---|
| ম্যাচের দৈর্ঘ্য | সর্বোচ্চ ৫ দিন |
| ইনিংস | প্রতি দলের ২টি |
| দিনে ওভার | অন্তত ৯০ ওভার (লক্ষ্য) |
| সেশন | দিনে ৩টি, মাঝে লাঞ্চ ও চা-বিরতি |
| নতুন বল | ৮০ ওভার পর নেওয়া যায় |
| ফলো অন | প্রথম ইনিংসে অন্তত ২০০ রানের লিড লাগে |
| সম্ভাব্য ফল | জয়, হার, ড্র বা টাই |
নির্দিষ্ট সিরিজের খুঁটিনাটি, যেমন ওভার রেট বা বিরতির সময়, জানতে আইসিসির অফিশিয়াল প্লেয়িং কন্ডিশন দেখে নেওয়া ভালো, কারণ আইসিসি প্রায় প্রতি বছর কিছু ধারা বদলায়।
টেস্ট ক্রিকেট খেলার নিয়ম: দুই ইনিংস কীভাবে খেলা হয়
টস জিতে অধিনায়ক ঠিক করেন আগে ব্যাট করবেন নাকি বল। এরপর ক্রম সাধারণত এমন:
- দল ক-এর প্রথম ইনিংস
- দল খ-এর প্রথম ইনিংস
- দল ক-এর দ্বিতীয় ইনিংস
- দল খ-এর দ্বিতীয় ইনিংস, যেখানে তাদের সামনে জয়ের লক্ষ্য থাকে
একটি ইনিংস শেষ হয় তিনভাবে: ১০ জন ব্যাটার আউট হলে, অধিনায়ক ডিক্লেয়ার করলে, অথবা ম্যাচের সময় ফুরিয়ে গেলে। ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টির মতো এখানে ওভারের হিসাবে ইনিংস থামে না। তাই রান রেট টেস্টে গৌণ, যদিও শেষ দিনে লক্ষ্য তাড়ার সময় তা হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রান রেটের হিসাব কীভাবে হয়, তা সহজভাবে বোঝানো আছে এই রান রেট ও নেট রান রেট গাইডে।
ডিক্লেয়ার কী এবং কেন করা হয়
ব্যাটিং দলের অধিনায়ক চাইলে যেকোনো সময় ইনিংস শেষ ঘোষণা করতে পারেন, একেই বলে ডিক্লেয়ার। উদ্দেশ্য সময় বাঁচানো। যথেষ্ট রান হয়ে গেলে আর ব্যাট না করে প্রতিপক্ষকে দুবার অলআউট করার মতো সময় হাতে রাখাই কৌশল। একটি ইনিংস সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার নিয়মও আছে, যাকে বলে ফরফিট, তবে আন্তর্জাতিক টেস্টে তা প্রায় দেখাই যায় না।
ফলো অনের নিয়ম: ২০০ রানের লিড
পাঁচ দিনের টেস্টে প্রথম ইনিংস শেষে কোনো দল অন্তত ২০০ রানে এগিয়ে থাকলে তাদের অধিনায়ক প্রতিপক্ষকে সঙ্গে সঙ্গে আবার ব্যাট করতে পাঠাতে পারেন। এটাই ফলো অন। চার দিনের টেস্টে এই সীমা ১৫০ রান। ফলো অন বাধ্যতামূলক নয়, এটা অধিনায়কের ইচ্ছা। ক্লান্ত বোলার, ভাঙতে থাকা উইকেট বা আবহাওয়া দেখে অনেক অধিনায়ক নিজেরাই আবার ব্যাট করা বেছে নেন।
ফলো অনে পড়া দল যদি দ্বিতীয় ইনিংসে বড় রান করে, তখন প্রথম দলকে চতুর্থ ইনিংসে ভাঙা উইকেটে লক্ষ্য তাড়া করতে হয়, তাই এতে ঝুঁকিও আছে। উদাহরণ ও ইতিহাসসহ পুরো ব্যাখ্যা পাবেন আমাদের ফলো অন নিয়মের বিস্তারিত লেখায়।
টেস্টের বল: লাল বল, নতুন বল ও গোলাপি বল
দিনের টেস্টে লাল বল ব্যবহার হয়, আর দিবা-রাত্রির টেস্টে গোলাপি বল। প্রতিটি ইনিংস শুরু হয় নতুন বলে। ৮০ ওভার হয়ে গেলে বোলিং দলের অধিনায়ক চাইলে আরেকটি নতুন বল নিতে পারেন। নতুন বল শক্ত ও চকচকে থাকে বলে বেশি সুইং ও বাউন্স হয়, তাই ৮০ ওভারের পরের সময়টা ব্যাটারদের জন্য কঠিন। আবার পুরোনো বলে রিভার্স সুইং ও স্পিনারদের সুবিধা বাড়ে, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উপমহাদেশের উইকেটে।
আউটের নিয়ম ও অতিরিক্ত রান
টেস্টে আউটের ধরন অন্য ফরম্যাটের মতোই: বোল্ড, ক্যাচ, এলবিডব্লিউ, রান আউট, স্টাম্পিং, হিট উইকেট ইত্যাদি। তবে টেস্টে এলবিডব্লিউ ও ব্যাটের কানা ছুঁয়ে স্লিপে ক্যাচ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, কারণ বোলাররা লম্বা সময় ধরে অফ স্টাম্পের আশপাশে বল করেন। এলবিডব্লিউ কখন হয় আর কখন হয় না, তা ছবির মতো করে বোঝানো আছে আমাদের এলবিডব্লিউ নিয়মের গাইডে। নতুন ব্যাটার নির্ধারিত সময়ে ক্রিজে না এলে বিরল টাইমড আউটও হতে পারে, এর গল্প পড়ুন টাইমড আউটের ব্যাখ্যায়।
টেস্টে নো বল, অতিরিক্ত রান ও ফ্রি হিট
নো বল, ওয়াইড, বাই ও লেগ বাই, এই অতিরিক্ত রানগুলো টেস্টেও যোগ হয়। একটি পার্থক্য মনে রাখুন: টেস্টে নো বলের পর ফ্রি হিট নেই। ফ্রি হিট শুধু সীমিত ওভারের ম্যাচে দেওয়া হয়, কারণগুলো দেখুন আমাদের ফ্রি হিট নিয়মের লেখায়।
টেস্ট ম্যাচে জয়, হার, ড্র ও টাইয়ের নিয়ম
Test cricket rules to win বুঝতে হলে ফলের চার ধরন জানা দরকার:
- জয়: যে দল চার ইনিংস মিলিয়ে বেশি রান করে এবং প্রতিপক্ষের ইনিংসগুলো শেষ করতে পারে। শেষে ব্যাট করা দল জিতলে ফল লেখা হয় উইকেটে (যেমন ৫ উইকেটে জয়), আগে ব্যাট করা দল জিতলে রানে।
- ইনিংস ব্যবধানে জয়: এক দল এক ইনিংসেই প্রতিপক্ষের দুই ইনিংসের মোট রানের চেয়ে বেশি করলে, তাদের দ্বিতীয়বার ব্যাট করতেই হয় না।
- ড্র: পাঁচ দিন শেষেও কোনো দল জিততে না পারলে। প্রথম ইনিংসে কে এগিয়ে, তা ড্রয়ে কোনো ফল দেয় না।
- টাই: শেষ ইনিংসে সব উইকেট পড়ে গেছে এবং দুই দলের মোট রান সমান। টেস্ট ইতিহাসে মাত্র দুবার এমন হয়েছে, ১৯৬০ সালে ব্রিসবেনে এবং ১৯৮৬ সালে মাদ্রাজে।
ড্র মানেই ব্যর্থতা নয়। হারতে বসা দল শেষ দিনে উইকেট আঁকড়ে ধরে ড্র বাঁচালে সেটাও টেস্টের বড় অর্জন। এখানেই ফলো অন, ডিক্লেয়ার আর সময়ের হিসাব একসাথে কাজ করে।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্টের নিয়ম
বেশির ভাগ দ্বিপক্ষীয় টেস্ট এখন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। প্রতিটি টেস্টে জয়ে ১২, টাইয়ে ৬ ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট, হারে শূন্য। স্লো ওভার রেটের জন্য পয়েন্ট কাটাও যায়। টেবিল সাজানো হয় মোট পয়েন্ট নয়, পয়েন্ট শতাংশ দিয়ে, কারণ সব দল সমান সংখ্যক টেস্ট খেলে না। চক্র শেষে শীর্ষ দুই দল ফাইনাল খেলে। বাংলাদেশসহ সব দলের সর্বশেষ অবস্থান দেখুন আইসিসির WTC স্ট্যান্ডিংস পাতায়।
টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির পার্থক্য
| বিষয় | টেস্ট | ওয়ানডে | টি-টোয়েন্টি |
|---|---|---|---|
| দৈর্ঘ্য | সর্বোচ্চ ৫ দিন | এক দিন | প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা |
| ওভার | সীমা নেই, দিনে ৯০ | প্রতি দলে ৫০ | প্রতি দলে ২০ |
| ইনিংস | প্রতি দলে ২টি | ১টি | ১টি |
| বলের রং | লাল (দিবা-রাত্রিতে গোলাপি) | সাদা | সাদা |
| ফ্রি হিট | নেই | আছে | আছে |
| ড্র | সম্ভব | হয় না (ফলাফলহীন হতে পারে) | হয় না (সুপার ওভার) |
টেবিল থেকেই বোঝা যায়, টেস্টে সময় আর ধৈর্যই মূল অস্ত্র, অন্য দুই ফরম্যাটে গতি। তিন ফরম্যাটের নিয়ম, খেলার খবর ও নতুন লেখা এক জায়গায় পেতে ঘুরে আসুন join9wickets হোমপেজে।
নতুন দর্শকের জন্য টেস্ট দেখার কয়েকটি টিপস
- প্রথম দিনের সকালের সেশনে নতুন বলে পেসারদের লড়াই খেয়াল করুন, ম্যাচের দিক অনেক সময় এখানেই ঠিক হয়।
- স্কোরকার্ডে লিড বা ঘাটতির হিসাব দেখুন, এটা বলে দেয় ফলো অন বা ডিক্লেয়ারের সম্ভাবনা কতটা।
- চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে উইকেট ভাঙে, তখন স্পিনারদের গুরুত্ব বাড়ে।
- ফিল্ডিং সাজানো লক্ষ করুন: অনেক স্লিপ মানে আক্রমণ, ছড়ানো ফিল্ড মানে রান আটকানো। মাঠে ফিল্ডিং অনুশীলনের ধারণা পেতে দেখতে পারেন নতুনদের ফিল্ডিং ড্রিল।
শেষ কথা
টেস্ট ক্রিকেট খেলার নিয়ম মনে রাখার সহজ সূত্র: পাঁচ দিন, দুই ইনিংস, দিনে ৯০ ওভার, ৮০ ওভারে নতুন বল, ২০০ রানের লিডে ফলো অন, আর সময় ফুরোলে ড্র। ক্রিকেট টেস্ট খেলার নিয়মাবলী এই কাঠামোর ওপরেই দাঁড়িয়ে, তাই এটুকু মাথায় থাকলে প্রতিটি সেশনের কৌশল নিজেই বুঝতে পারবেন। ক্রিকেটের আরও নিয়ম নিয়ে লেখা পাবেন আমাদের ব্লগ পাতায়। আর 9wickets-এর যাচাই করা এজেন্টদের তথ্য দেখতে চাইলে রয়েছে আমাদের মাস্টার এজেন্ট তালিকা।
টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
টেস্ট ক্রিকেটে দিনে কত ওভার খেলা হয়?
আইসিসির নিয়মে দিনে অন্তত ৯০ ওভার বল করার লক্ষ্য থাকে, তিনটি সেশনে ভাগ করে। হারানো সময় পুষিয়ে নিতে কখনো বাড়তি সময় খেলা হয়।
টেস্ট ক্রিকেটে ফলো অন কত রানে হয়?
পাঁচ দিনের টেস্টে প্রথম ইনিংসে অন্তত ২০০ রানের লিড থাকলে ফলো অন করানো যায়, চার দিনের টেস্টে ১৫০ রানে। এটি অধিনায়কের ইচ্ছাধীন।
টেস্ট ক্রিকেটে নতুন বল কখন নেওয়া হয়?
প্রতিটি ইনিংস নতুন বলে শুরু হয়। ৮০ ওভার পূর্ণ হলে বোলিং দলের অধিনায়ক চাইলে আরেকটি নতুন বল নিতে পারেন।
টেস্ট ম্যাচ ড্র হয় কখন?
নির্ধারিত পাঁচ দিনের মধ্যে কোনো দল জয় নিশ্চিত করতে না পারলে, অর্থাৎ শেষ ইনিংসের সব উইকেট না পড়লে বা লক্ষ্য পূরণ না হলে ম্যাচ ড্র হয়।
টেস্টে কি নো বলে ফ্রি হিট আছে?
না। টেস্টে নো বলে এক রান অতিরিক্ত যোগ হয়, কিন্তু পরের বলে ফ্রি হিট দেওয়া হয় না। ফ্রি হিট শুধু ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে।
Keep reading
Related guides
ডিআরএস নিয়ম: ক্রিকেটে রিভিউ কয়টি, আম্পায়ার্স কল কী
ডিআরএস (DRS, Decision Review System) হলো আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত টিভি রিপ্লে আর প্রযুক্তি দিয়ে আবার দেখার নিয়ম। টেস্টে প্রতি ইনিংসে একটি দল ৩টি ব্যর্থ রিভিউ…
Read the guideএলবিডব্লিউ কী: LBW আউটের নিয়ম সহজ বাংলায়
এলবিডব্লিউ (LBW, Leg Before Wicket) মানে বল ব্যাটে লাগার আগে ব্যাটারের শরীরে লেগেছে, আর শরীর না থাকলে বলটা স্টাম্পে লাগত। তবে আম্পায়ার আউট দেবেন…
Read the guide
ফলো অন কি? টেস্ট ক্রিকেটে ফলো অনের নিয়ম সহজ বাংলায়
ফলো অন কি? টেস্টে প্রথম ইনিংসে অন্তত ২০০ রানে এগিয়ে থাকলে প্রতিপক্ষকে আবার ব্যাট করতে পাঠানো যায়। ৩-৪ দিনে ১৫০, প্রথম দিন বৃষ্টি হলে নিয়ম, উদাহরণসহ।
Read the guideReady to put this guide to work?
Open a 9Wickets account with bKash, Nagad or Rocket, or talk to support if you need a hand.
Open an AccountTalk to Support